ঢাকা , রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ , ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অনলাইনে প্রেমের প্রলোভনের অভিযোগে গাক এনজিও কর্মীর বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট সময় : ২০২৬-০৪-২৬ ১৮:৪৫:৫৫
অনলাইনে প্রেমের প্রলোভনের অভিযোগে গাক এনজিও কর্মীর বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি অনলাইনে প্রেমের প্রলোভনের অভিযোগে গাক এনজিও কর্মীর বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি

স্টাফ রিপোর্টার:

নওগাঁ জেলার রানীনগর উপজেলায় গ্রাম উন্নয়ন কর্ম (গাক/GUK)-এর এক মাঠকর্মীর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নেত্রকোণার মাজহারুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন।

অভিযোগকারী জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ২০২২ সালে মুক্তা খাতুন ওরফে সোনালী নামে ওই নারীর সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরিচয়ের পর তিনি নিজেকে পারিবারিকভাবে অসহায় ও স্বামীর সঙ্গে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন বলে পরিচয় দেন বলে দাবি করা হয়েছে।পরবর্তীতে তার কথায় বিশ্বাস করে বিভিন্ন সময়ে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

ভুক্তভোগীর দাবি, একপর্যায়ে দুই লাখ টাকা দাবি করা হলে তা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় যোগাযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়।

পরে তিনি জানতে পারেন, অভিযুক্ত নারী তার বৈবাহিক সম্পর্ক ও পারিবারিক তথ্য গোপন করেছিলেন। এভাবে প্রায় দুই লাখ টাকা নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগকারীর দাবি।

অভিযুক্ত মুক্তা খাতুন, পিতা মোয়াজ্জেম হোসেন, মাতা শেফালী বেগম। তার স্থায়ী ঠিকানা বগুড়া জেলার গাবতলী উপজেলার হোড়াবুদিঘী, নশিপুর, ডাকঘর বাঘবাড়ী। বর্তমানে তিনি নওগাঁ জেলার রানীনগর উপজেলার আলতাফনগর এলাকায় গাক এনজিওতে মাঠকর্মী হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।
অভিযুক্তের স্বামী শওকত রায়হান রিপন, পিতা জালাল উদ্দীন ফকির, মাতা রহিমা খাতুন। তার স্থায়ী ঠিকানা বগুড়া জেলার গাবতলী উপজেলার হরারদিঘী, বাঘবাড়ী এবং বর্তমানে বগুড়া সদর (কলোনি) এলাকায় বসবাস করছেন।

অভিযুক্ত মুক্তা খাতুনের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি সম্পর্কের বিষয়টি স্বীকার করলেও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ অস্বীকার করেন। তবে তিনি বলেন, মাঝে মাঝে কিছু আর্থিক সহায়তা নিয়েছেন।

অভিযুক্তের স্বামীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

গাক এনজিওর আলতাফনগর শাখার ব্যবস্থাপক গোলাম মূর্শেদ বলেন, মুক্তা খাতুন অতিরক্ত ফিল্ড অফিসার হিসাবে নতুন যোগদান করেছেন।তার ব্যাপারে পুরোপুরি জানা নেই তবে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।

এ বিষয়ে গাবতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ রাকিবুল হাসান মুঠোফোনে জানান, এখনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ভুক্তভোগী জানিয়েছেন, তিনি প্রয়োজনীয় প্রমাণাদি সংগ্রহ করে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

নিউজটি আপডেট করেছেন : [email protected]

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ